শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্টকারীদের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশকে এগিয়ে নিতে এখন প্রয়োজন পরিকল্পিতভাবে কাজ করা; ঝগড়া-বিবাদ ও বিভ্রান্তিতে জড়িয়ে পড়লে উন্নয়নের গতি ব্যাহত হবে।
রোববার চট্টগ্রামের বাঁশখালীর পশ্চিম বাঁশখালী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে ত্রাণ ও নতুন ঘরের চাবি বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। কয়েক হাজার মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি একপর্যায়ে সমাবেশে রূপ নেয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনো এলাকায় অস্থিরতা তৈরি হলে ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একই সঙ্গে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও অনিশ্চয়তায় পড়েন। শিল্পকারখানা স্বাভাবিকভাবে চালু রাখা ও নতুন কর্মসংস্থান তৈরির জন্য নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ অপরিহার্য।
শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নের বিষয়েও গুরুত্ব দেন তিনি। মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ উন্নয়ন, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষার্থীদের সময়মতো বই দেওয়ার কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার ওপরও জোর দেন তিনি।
জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘদিনের অপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা থেকে বেরিয়ে এ খাতকে নতুনভাবে সাজানোর কাজ শুরু হয়েছে। আগামী ১০ বছরের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ পরিকল্পনা জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে। এর মাধ্যমে শিল্পকারখানা, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়িতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ এবং প্রয়োজনীয় গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্য রয়েছে।
জ্বালানি খাত নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের পরিকল্পনার বিকল্প কোনো প্রস্তাব থাকলে তা জনগণের সামনে তুলে ধরা যেতে পারে। তবে বিভ্রান্তিকর বক্তব্যের মাধ্যমে দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করা যাবে না।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার পাঁচ দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেছে। এখন আর পিছিয়ে থাকার সুযোগ নেই। পরিকল্পিত উন্নয়ন ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে জনগণের জীবনমান উন্নত করাই দেশের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।
আ.দৈ/আরএস





















