বিমান টিকিট সিন্ডিকেট ঠেকাতে আইএটিএর সহায়তা চায় সরকার
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিমান টিকিট সিন্ডিকেট দমন, বিমান পরিবহন খাতের আধুনিকায়ন এবং পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থা (আইএটিএ)-এর কারিগরি সহযোগিতা চেয়েছে সরকার। একই সঙ্গে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বাংলাদেশ এয়ারলাইনস টেকনিক্যাল সেন্টারকে (বিএটিসি) আন্তর্জাতিক মানের প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেছে আইএটিএ।
আজ সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম এবং প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থার (আইএটিএ) আঞ্চলিক ভাইস প্রেসিডেন্ট শেজডন হির সৌজন্য সাক্ষাতে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে আইএটিএর আঞ্চলিক ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতের উন্নয়নে আইএটিএ সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। বিশেষ করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বাংলাদেশ এয়ারলাইনস টেকনিক্যাল সেন্টারকে (বিএটিসি) আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ও আধুনিক প্রতিষ্ঠানে উন্নীত করতে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী সংস্থাটি।
বৈঠকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, বিমান টিকিট সিন্ডিকেট দমনে সরকার ইতিমধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে। এ ক্ষেত্রে আইএটিএর কারিগরি সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার বিমান খাতে যেকোনো ধরনের সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে এবং স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক বাজারব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।
প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, পরিবেশবান্ধব বিমান পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বেসামরিক বিমান চলাচল অধ্যাদেশে কার্বন নিঃসরণ কমানোর বিষয়ে পৃথক ধারা সংযোজন করা হয়েছে। পাশাপাশি টেকসই অ্যাভিয়েশন ফুয়েল (এসএএফ) ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া আকাশপথে অপরাধ দমনে মন্ট্রিয়ল প্রটোকল-২০১৪ গ্রহণের প্রয়োজনীয় কার্যক্রমও এগিয়ে নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
বৈঠকে দেশের পর্যটন খাতের উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক আকাশপথে সংযোগ সম্প্রসারণ, বিমান পরিবহন খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যতে সরকার ও আইএটিএর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারের বিভিন্ন বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।
আ.দৈ/আরএস




















