‘যারা জনসেবা করবেন কাউন্সিলর পদে তাদের পক্ষে সুপারিশ করা হবে’
আসন্ন সিটি নির্বাচনের আগেই এলাকায় কাজ করতে হবে: ডিএনসিসি প্রশাসক
নিজস্ব প্রতিবেদক :

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোঃ শফিকুল ইসলাম খান মিলটন দলীয় নেতাদের উদ্দেশ্যে বলেছেন,আসন্ন সিটি নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শুধু দলীয় পদ-পদবি দেখেই কাউন্সিলার পার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিবেন না। তবে পদবী ব্যবহার করে কাউন্সিলর প্রার্থী হলেও নির্বাচিত হওয়া যায় না। কারণ জনগণের কাছাকাছি যেতে হবে এবং জনগণের জন্য কাজ করতে হবে।
আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) অঞ্চল-১ এর আওতাধীন উত্তরা এলাকার সুধী জনের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য ডিএনসিসি প্রশাসক এ কথা বলেন। তিনি বলেন, বিএনপির নেতারা এলাকায় কাজ করবেন এবং যারা জনসেবা মূলক কর্মকান্ডের প্রমাণ দিতে হবে। কাউন্সিলর পদের জন্য সুপারিশ করা হবে।
আঞ্চল নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেঃ জেনাঃ সৈয়দ রাকিবুল হাসান.পি.এস.সি এবং প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেঃ জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরীসহ এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

প্রশাসক আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিজেই জনগণের সেবক ও সরকার প্রধান। তার নির্দেশেই জনগণের সেবা আমাদের প্রধান দায়িত্ব ও কর্তব্য। এলাকায় অনেক সমস্যা রয়েছে আমরা সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ হতে সকল সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করছি।
তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দীর্ঘ ১৭বছর পর জনগণ ক্ষমতায় বসিয়েছেন। আজ তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে আছেন। প্রধানমন্ত্রী জনগণের সেবায় সর্বদা কাজ করে যাচ্ছেন।আমরা তার অনুসারী হিসেবে কাজ করে যাব।
প্রশাসক আরো বলেন,‘ঢাকার কিছু কিছু জায়গায় পানির সমস্যা চরম পর্যায়, আমরা ওয়াশার মাধ্যমে কয়েকটি জায়গায় পানির পাম্প স্থাপনের মাধ্যমে পানির সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি এবং সফল হয়েছি।’
প্রশাসক আরো বলেন, ‘এখন আর মশার উপদ্রব তেমন দেখা যায় না। কারণ আমরা খাল পরিষ্কারের মাধ্যমে খালে মশার বংশবিস্তার রোধ করতে পেরেছি। জনগণের সহায়তা নিয়ে খাল পুনরুদ্ধার করে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনকে ডেঙ্গু মশামুক্ত করব।’
প্রশাসক মোঃ শফিকুল ইসলাম খান মিলটন বলেন, ‘হকারদের নিয়ে আমরা পরিকল্পনা মাফিক কাজ করে যাচ্ছি। হকারদের পূর্ণবাসনে যে জায়গা নির্ধারণ করে ছিলাম ,সে জায়গায় হকাররা না বসে, পুনরায় আবার ফুটপাতে বসতেছে ,তাহলে এভাবে তো কাজ করা যায় না। হকার পূর্ণবাসনে জনগণকে সহযোগিতার মাধ্যমে পরিস্থিতি সমাধান করতে হবে।’
তিনি বলেন,‘এলাকার রাস্তাঘাট সম্প্রসারণ ও লাইটিং সমস্যায় জনগণের সহায়তা নিয়ে কাজ করতে হবে।’প্রশাসক প্রশাসক ট্যাক্স কমানো নিয়ে ব্যবসায়ীদের আবেদন প্রেক্ষিতে জানান, আমরা ট্যাক্স কম নির্ধারণের চেষ্টা করব।’
তিনি বলেন, ‘এলাকার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন করাতে এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে অবশ্যই এগিয়ে আসতে হবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করতে হবে।’
আ.দৈ./কাশেম




















