রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ই-পেপার

রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৩ লাখ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের সম্মতির দাবি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৬:২৪ পিএম   (ভিজিট : ৪৯)
X

বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ ও মালয়েশিয়া থেকে ৫ হাজার রোহিঙ্গা নাগরিককে মিয়ানামার ফেরত নেবে বলে জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। আজ বুধবার মালয়েশিয়ার পশ্চিম উপকূলীয় প্রদেশ নেগেরি সেম্বিলানের চেন্নাহ শহরে আয়োজিত এক জনসভায় এসব কথা জানিয়েছেন তিনি।

দেশটির গণমাধ্যম দ্য স্টার প্রতিবেদনে জানিয়েছে জনসভায় প্রধানমন্ত্রী ইব্রাহিম বলেছেন, আমাদের নাগরিকেরা বলতেন যে, রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠান, কিন্তু কোথায় আমরা তাদের ফেরত পাঠাতাম? মিয়ানমার তো তাদের গ্রহণ করতে রাজি ছিল না।

ইব্রাহিম বলেন, ‘সম্প্রতি তারা (মিয়ানমার) মালয়েশিয়া থেকে ৫ হাজার এবং বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে রাজি হয়েছে।’

‘কীভাবে এটা সম্ভব হলো? সম্ভব হয়েছে এই কারণে যে, আমরা তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছিলাম। এ কারণেই মালয়েশিয়ার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখা জরুরি। এসব ক্ষেত্রে সতর্ক কূটনীতি প্রয়োজন’ বলেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী।

মালয়েশিয়াতেও রোহিঙ্গা শরণার্থীদের একটি বড় কমিউনিটি রয়েছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুসারে, মালয়েশিয়ায় বর্তমানে আশ্রিত রোহিঙ্গার সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ২৬ হাজার।

গতকাল চেন্নাহর জনসভায় মালয়েশিয়ার শরণার্থীদের দেশের আইন মেনে চলার নির্দেশ দেন আনোয়ার ইব্রাহিম। অন্যথায় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, ‘আমি এর আগেও সতর্ক করেছি এবং আবারও করছি। গতকাল পুলিশের মহাপরিদর্শকের সঙ্গে কথা বলেছি এবং নির্দেশ দিয়েছি যে, শরণার্থীশিবির এবং অনুমোদিত এলাকাগুলো ব্যতীত অন্য কোথাও যেন তাদের উপস্থিতি চোখে না পড়ে।’

শরণার্থীদের সম্পর্কে তিনি তাঁর দেশের জনগণকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘এটা মালয়েশিয়া। তারা আমাদের বিরক্ত করতে পারবে না। যদি করে, পুলিশ সে ক্ষেত্রে পদক্ষেপ নেবে।’

২০১৭ সালের আগস্ট মাসে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশের বেশ কয়েকটি পুলিশ স্টেশন ও সেনা ছাউনিতে একযোগে বোমা হামলা ঘটায় সশস্ত্র রোহিঙ্গা গোষ্ঠী আরাকান স্যালভেশন আর্মি (আরসা)। সেই হামলার প্রতিক্রিয়ায় আরাকানের রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে ভয়াবহ অভিযান শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।

সেনা সদস্যদের নির্যাতন, হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের মুখে টিকতে না পেরে নাফ নদী পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে শুরু করেন হাজার হাজার রোহিঙ্গা। বাংলাদেশের সরকারের পক্ষ থেকে তাদের কক্সবাজারের টেকনাফ জেলার কুতুপালংয়ে আশ্রয় দেওয়া হয়। পরে জাতিসংঘ ও অন্যান্য দাতা সংস্থার পক্ষ থেকে তাদের খাদ্য ও অন্যান্য সহায়তা প্রদান শুরু হয়। তারপর থেকে এখন পর্যন্ত এই ব্যবস্থাই চলে আসছে। বর্তমানে কুতুপালং শরণার্থীশিবিরে বসবাস করছেন ১৫ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা।

আ.দৈ/আরএস





Advertisement
Advertisement
Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
close
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম
সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুজ্জামান সাঈদী সোহাগ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মাসুদ আলম
প্রকাশক কর্তৃক ১/২ সাগুফতা ডি লরেল (তৃতীয় তলা), কমলাপুর বাজার রোড, মতিঝিল ঢাকা-১০০০ বা/এ হইতে প্রকাশিত।

বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়ঃ খাজা আইটি পার্ক, কল্যানপুর ঢাকা -১২০৭
ফোন : 01901-025220 , ই-মেইল : ajkerdainik@gmail.com

About Us    Advertisement    Terms & Conditions    Privacy Policy    Copyright Policy    Circulation    Contact Us   
© ২০২৬ আজকের দৈনিক
🔝