ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার জালিয়াতিসহ নানা অভিযোগ সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি চুপ্পুর বিরুদ্ধে
নিজস্ব প্রতিবেদক

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ২০২৩ সালে রাষ্ট্রপতি পদে মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু নির্বাচিত হয়ে ছিলেন। তিনি অত্যন্ত প্রভাবশালী ওই সরকারের দোসর ও সুবিধারোগী ছিলেন। অবশেষে গতকাল শুক্রবার (২৪ জুলাই) তিনি রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ।
এদিকে অভিযোগ উঠেছে, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু এরআগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ওইসময় তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সহ বিএনপি অনেক নেতাদের বিরুদ্ধে বেশ কিছু মামলা দিয়ে হয়রানি করিয়েছেন। বেগম খারেলদা জিয়াকে কারাগারে আটকে রেখেছেন।
একই সাথে আওয়ামী লীগ নেতা, মন্ত্রী, এমপি এবং ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সুনিদিষ্ট অভিযোগ থাকা সত্বেও তাদেরকে দায়মুক্তি দিয়েছিলেন। এবার ওইসব বিষয়গুলো সামনে চলে আসছে।
গত শুক্রবার রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগের পর তার বিরুদ্ধে একের পর এক বড় বড় দুর্নীতি, জালিয়াতি, ব্যাকের অর্থ লোপাটসহ নানা অপরাধের ঘটনার প্রকাশিত হচ্ছে। তার সঙ্গে জেএমসি বিল্ডার্সের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার জালিয়াতির ঘটনায় বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, জেএমসি বিল্ডার্স এস আলম গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি প্রতিষ্ঠান হলেও এর শেয়ারের মালিকানা ছিল মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর নামে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছে। জেএমসি বিল্ডার্স কোম্পানিরই অন্যতম মালিক ও প্রতিনিধি হিসেবে জালিয়াতির মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার কেনায় জড়িত ছিলেন তিনি। সেই শেয়ার কেনার অর্থও লুট করা হয় এস আলমের দখলকৃত ইসলামি ধারার আরেক ব্যাংক ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে। এ ভুয়া কোম্পানি জেএমসি বিল্ডার্সের প্রতিনিধি হিসেবেই সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক ও পরে ভাইস চেয়ারম্যানসহ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।
সেই সময় ব্যাংকটি থেকে লুটপাট করা হয় বিপুল অর্থ। বিএফআইইউ’র তদন্তে এসব তথ্য ওঠে আসে এবং সাহাবুদ্দিন চুপ্পুসহ কোম্পানির অন্যদেরও অভিযুক্ত করা হয়। এ প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই পুরো বিষয়টি তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্ট দুদককে নির্দেশ দিয়েছেন।
এসব বিষয়ে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বাংলাদেশ ফাইন্যানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। বিচারপতি মুজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ অনুসন্ধান ও তদন্তের নির্দেশনা দিয়েছেন। আজ শনিবার (২৫ জুলাই) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট সূত্র গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছে।
জেএমসি বিল্ডার্স কোম্পানিরই অন্যতম মালিক ও প্রতিনিধি হিসেবে জালিয়াতির মাধ্যমে ইসলামি ব্যাংকের শেয়ার কেনায় জড়িত ছিলেন তিনি। সেই শেয়ার কেনার অর্থও লুট করা হয় এস আলমের দখলকৃত ইসলামি ধারার আরেক ব্যাংক ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংক থেকে।
এ ভুয়া কোম্পানি জেএমসি বিল্ডার্সের প্রতিনিধি হিসেবেই সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ইসলামি ব্যাংকের পরিচালক ও পরে ভাইস চেয়ারম্যানসহ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। সেই সময় ব্যাংকটি থেকে লুটপাট করা হয় বিপুল অর্থ। বিএফআইইউ’র তদন্তে এসব তথ্য ওঠে আসে এবং সাহাবুদ্দিন চুপ্পুসহ কোম্পানির অন্যদেরও অভিযুক্ত করা হয়। এ প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই পুরো বিষয়টি তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্ট দুদকে নির্দেশ দিয়েছেন।
এর আগে ইসলামী ব্যাংক শেয়ার জালিয়াতির মাধ্যমে বিতর্কিত ব্যবসায়ী চুপ্পুর বিরুদ্ধে ২০২৫ সালে করা মামলা দুদককে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত।
আ. দৈ./কাশেম




















