চট্টগ্রামে দুইকোটি টাকা চাঁদার দাবিতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবি জামায়াতের
ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপি সরকার গঠনের পর সারাদেশে কতিপয় সন্ত্রাসী অস্ত্রধারী ও চিহ্নিত চাঁদাবাজ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। তাদের বিরুদ্ধে সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত ও জোরালো ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হচ্ছে।
সম্প্রতি চট্টগ্রামের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দুইকোটি টাকা চাঁদা দাবি এবং প্রতিমাসে ২০ লাখ টাকা দাবি জনানো হয়। কিন্তু তাদের এই দাবি মোতাবেক চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় বেশ কয়জন যুবক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সরাসরি ওই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর, লুটপাট করেছে।
এদিকে উক্ত সন্ত্রাসী হামলা,ভাংচুর ও চাঁদাবাজির ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতে ইসলামীর নেতারা।
আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম এক বিবৃতিতে ওই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াত আমির বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে দিন-দুপুরে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢুকে দুর্বৃত্তদের প্রকাশ্যে তাণ্ডব, ভাঙচুর ও চাঁদাবাজির ঘটনা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জনমনে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিচয় থাকলে তা জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে এবং তাদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে অপরাধপ্রবণতা আরও বাড়বে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা গভীরতর হবে। একের পর এক অভিনব কায়দায় সংঘটিত অপরাধ প্রমাণ করে যে দুর্বৃত্তরা কোনো না কোনোভাবে প্রশ্রয় বা সাহস পাচ্ছে। জনগণের স্বাভাবিক প্রশ্ন, এদের খুঁটির জোর কোথায়?
মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হলো নাগরিকের জানমাল ও ব্যবসা-বাণিজ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। কিন্তু, ধারাবাহিকভাবে ঘটে চলা এসব ঘটনায় মানুষ আস্থাহীন হয়ে পড়ছে। সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে অপরাধ দমন, চাঁদাবাজি বন্ধ এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন করে জড়িত সবাইকে দ্রুত গ্রেফতার এবং আইনের আওতায় এনে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি ব্যবসায়ী সমাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান।
আ.দৈ./কাশেম




















