বিদ্যুৎ পরিস্থিতি উন্নতির তথ্য সংসদে দিলেন মন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, কারিগরি ত্রুটি ও কয়লা খালাস করতে না পারায় দুই বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর বিদ্যুৎ সরবরাহে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছিল, সেখান থেকে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও চাহিদার ব্যবধান কমে ৩৩৯ মেগাওয়াটে নেমে এসেছে।তিনি বলেন, গতকালকে পার্লামেন্টে একটা বক্তব্য দিয়েছিলাম দেশের একটা ক্রাইসিসের ব্যাপারে। আমাদের দুইটা পাওয়ার প্ল্যান্টের জেনারেশন বন্ধ হয়ে গেছিল, যার ফলে গতকালকে আমাদেরকে লোডশেডিং দিতে হয়েছিল।
সোমবারের পরিস্থিতি তুলে ধরে বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, আজকে আনন্দের সাথে হাউসকে এবং জনগণকে জানাতে পারি, এখন আমাদের জেনারেশন ১৪ হাজার ৫’শ মেগাওয়াট আর ডিমান্ড এখন ১৪ হাজার ৮৩৯ মেগাওয়াট। আমার লোডশেডিং হবে এখন ৩৩৯ মেগাওয়াট।
এই ঘাটতিও কমিয়ে আনার চেষ্টা চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করছি এই ৩’শ মেগাওয়াটকেও কমিয়ে নিয়ে আসার জন্য। কিছু কিছু জায়গায় লোডশেডিং থাকবে। যাতে না থাকে, সেজন্য আমরা সচেষ্ট আছি।
আগের দিনের তুলনায় পরিস্থিতির উন্নতির কথা জানিয়ে ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, গতকালকে খারাপ ছিল। আজকে সেখান থেকে আমরা উত্তরণ করতে পেরেছি। তিনি বলেছিলেন, একটি কেন্দ্রের বয়লারের টিউবে লিকেজ দেখা দেওয়ায় ‘ফোর্সড শাটডাউনে’ করতে হয়েছে। বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় কয়লা খালাস করতে না পারায় আরেকটি কেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে।
সরবরাহ প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট কমে যাওয়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুতের লোড শেড করতে হচ্ছে এবং ঢাকাতেও ‘লোডশেডিং’ দিতে হবে বলে তখন জানান বিদ্যুৎমন্ত্রী। দুই দিনের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতির আশাও প্রকাশ করেছিলেন মন্ত্রী।
আ.দৈ/আরএস




















