রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ই-পেপার

রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল চুক্তি ৩০৯ কোটি টাকার ক্ষতির মামলা
শেখ হাসিনা ও কাদেরসহ ১৭ আসামির তদন্ত প্রতিবেদন ২০ সেপ্টেম্বর
নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৪:৩৫ পিএম   (ভিজিট : ৬১)
X

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল আদায়ের চুক্তিতে অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার ও রাষ্ট্রের শত কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলাটি বেশ আলোচনায় এসেছে।

আগামী ২০ সেপ্টেম্বর দুদকের তদন্ত কর্মকর্তাকে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালত। এই মামলায় আসামিদের মধ্যে রয়েছেন; ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সাবেক মন্ত্রী, আমলা ও একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাসহ ১৭ জন।

আজ মঙ্গলবার (২৩ জুন) ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্তকারী সংস্থা দুদক নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় আদালত নতুন করে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর দিন নির্ধারণ করেন। এ আদেশ দেন আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মোহাম্মদ আলমগীর।

২০২৫ সালের ১২ অক্টোবর দুদক শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করে। এতে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০ ও ১০৯ ধারার পাশাপাশি দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

আসামিদের তালিকায় আরও রয়েছেন সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ওবায়দুল কাদের, আনিসুল হক, সাবেক প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, সাবেক সচিব এম এ এন ছিদ্দিক, অতিরিক্ত সচিব মো. ফারুক জলিল, উপ-সচিব মোহাম্মদ শফিকুল করিম, প্রকৌশলী মো. ফিরোজ ইকবাল, ইবনে আলম হাসান, মো. আফতাব হোসেন খান, মো. আব্দুস সালাম এবং সিএনএস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুনীর উজ জামান চৌধুরী, পরিচালক সেলিনা চৌধুরী ও ইকরাম ইকবাল।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেমস (সিএনএস) লিমিটেডকে একক উৎস ভিত্তিক দরপত্র পদ্ধতিতে মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল আদায়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, পূর্বে চলমান বৈধ টেন্ডার প্রক্রিয়া বাতিল করে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক আলোচনা ছাড়াই এ চুক্তি সম্পাদন করা হয়েছিল।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, সিএনএসকে নির্দিষ্ট অর্থমূল্যের পরিবর্তে মোট টোল আদায়ের ১৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৪৮৯ কোটি টাকার বিল গ্রহণ করে। অথচ ২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত একই সেতুর টোল ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান এমবিইএল-এটিটির জন্য ব্যয় হয়েছিল মাত্র ১৫ কোটির কিছু বেশি।

এছাড়া অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২২ থেকে ২০২৫ মেয়াদে একই ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য ইউডিসি কনস্ট্রাকশন লিমিটেড তিন বছরের চুক্তি পায় ৬৭ কোটি টাকায়। সেই হিসাব পাঁচ বছরের জন্য সমন্বয় করলে ব্যয় দাঁড়ায় প্রায় ১১২ কোটি টাকা। তুলনামূলক এই তথ্যের ভিত্তিতে দুদকের দাবি, সিএনএসকে একক উৎসভিত্তিক চুক্তি দেওয়ার কারণে রাষ্ট্রের প্রায় ৩০৯ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

আ. দৈ./কাশেম


Advertisement
Advertisement
Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
close
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম
সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুজ্জামান সাঈদী সোহাগ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মাসুদ আলম
প্রকাশক কর্তৃক ১/২ সাগুফতা ডি লরেল (তৃতীয় তলা), কমলাপুর বাজার রোড, মতিঝিল ঢাকা-১০০০ বা/এ হইতে প্রকাশিত।

বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়ঃ খাজা আইটি পার্ক, কল্যানপুর ঢাকা -১২০৭
ফোন : 01901-025220 , ই-মেইল : ajkerdainik@gmail.com

About Us    Advertisement    Terms & Conditions    Privacy Policy    Copyright Policy    Circulation    Contact Us   
© ২০২৬ আজকের দৈনিক
🔝