কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আমাদের সামনে নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে: পানিসম্পদ মন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

গবেষণা, এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। সোমবার (১৫ জুন) বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) ‘এডুকেশন, রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আমাদের সামনে নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে। তবে এর সঙ্গে দায়িত্ববোধও বেড়েছে। প্রযুক্তিবিদদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও এখন এআই, ডিপফেক ও ডিপ লার্নিং সম্পর্কে সচেতন হচ্ছেন। তাই এ প্রযুক্তিকে কীভাবে জনকল্যাণে কাজে লাগানো যায়, সে বিষয়ে আরও গবেষণা ও সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
এআইর ইতিবাচক ব্যবহারের পাশাপাশি সম্ভাব্য নেতিবাচক দিক মোকাবেলায় সামাজিক সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। তিনি আরো বলেন, বন্যার পূর্বাভাস, নদী ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ ও জলবায়ু ঝুঁকি নিরূপণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে আগাম সতর্কবার্তা ও তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে এ প্রযুক্তির ব্যবহার আরো বাড়ানো দরকার।
দেশের বড় অবকাঠামো ও পানি ব্যবস্থাপনা প্রকল্প বাস্তবায়নে গবেষণা ও প্রযুক্তিগত সহায়তা অপরিহার্য। পদ্মা ব্যারেজ ও তিস্তা মহাপরিকল্পনার মতো উদ্যোগ বাস্তবায়নে বিশেষজ্ঞদের মতামত ও প্রযুক্তিনির্ভর পরিকল্পনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
মন্ত্রী আরো উল্লেখ করেন, উন্নয়নকে টেকসই করতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, গবেষণা এবং প্রযুক্তির সমন্বয় জরুরি। গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়াতে না পারলে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন অর্জন সম্ভব হবে না। অনুষ্ঠানে চার শিক্ষাবিদকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। তারা হলেন প্রফেসর ড. ইকবাল মাহমুদ, প্রফেসর ড. নূরউদ্দিন আহমেদ, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম ও প্রফেসর ড. এম কামাল উদ্দিন। তারা সবাই বুয়েটের সাবেক শিক্ষক।
সেমিনারে চেয়ারপার্সন হিসেবে ছিলেন বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একরামুল হক। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বুয়েটের উপ উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল হাসিব চৌধুরী ও ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. সাব্বির মোস্তফা খান।
সেমিনারে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন বুয়েটের অ্যাডজাঙ্ক্ট প্রফেসর ড. রফিকুল গনি, আর অনুষ্ঠানের কনভেনার ছিলেন ইনস্টিটিউট অব অ্যাপ্রোপ্রিয়েট টেকনোলজির পরিচালক ড. মহিদুস সামাদ খান।
আ.দৈ/আরএস




















