ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে বাধ্যতামূলক হতে পারে টিআইএন
নিজস্ব প্রতিবেদক

ব্যাংক হিসাব খোলার সময় টিআইএন সনদ দাখিল করার বিধানের প্রস্তাব করা হয়েছে। করদাতাদের দাতব্য ও জনকল্যাণমূলক কাজে দান করাকে উৎসাহীত করতে কর রেয়াত প্রদানের অংশ হিসেবে স্বাস্থ্য, প্রতিবন্ধী সেবা, ক্যান্সার, অটিজম, ডায়াবেটিস, থ্যালাসেমিয়া ও সামাজিক কল্যাণে নিয়োজিত ১১ টি জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানের তালিকা অনুমোদনের প্রস্তাব করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন,আমাদের লক্ষ্য করের হার বৃদ্ধি নয় বরং করের ভিত্তি সম্প্রসারণ করতে চাই।
এই উদ্দেশ্যে কয়েকটি বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। করভিত্তি সম্প্রসারণের জন্য খুচরা বিক্রেতাদের কাছে পণ্য সরবরাহের ওপর ০.২০ শতাংশ অগ্রিম কর সংগ্রহের প্রস্তাব করছি।
খুচরা বিক্রেতাদের কাছ থেকে সংগৃহিত এ অগ্রিম করের পরিমান হবে অতি নগন্য, প্রতি ১ হাজার টাকায় মাত্র ২ টাকা। তাছাড়া, অগ্রিম সংগৃহিত এ আয়কর করদাতার প্রদেয় করের সাথে সমন্বয় হবে।
অর্থমন্ত্রী বলেন,স্টুডেন্ট একাউন্ট, নো-ফ্রিলস একাউন্ট ও বোর্ড কর্তৃক গেজেট দ্বারা টিআইএন গ্রহণের বাধ্যবাধকতা হতে অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি ব্যতীত, অন্য যেকোনো ব্যক্তি, ব্যাংক হিসাব খোলার সময় টিআইএন সনদ দাখিল করার বিধানের প্রস্তাব করছি; সেন্ট্রাল ডাটা ইন্টিগ্রেশন-এর মাধ্যমে এনবিআর এর তথ্যভান্ডারকে জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যাংক, ইউটিলিটি সেবা, সাব-রেজিস্ট্রি অফিস এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযুক্ত করে তথ্য আদান-প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে।
নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এই ব্যয় ছিল ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা। বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা।
প্রস্তাবিত বাজেটে পরিচালন ব্যয় ধরা হচ্ছে ৬ লাখ ৫ হাজার ৭৪০ কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের (৫ লাখ ৬৭ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা) চেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেশি। দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নের গতি সচল রাখতে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিসহ (এডিপি) মোট উন্নয়ন ব্যয় ধরা হচ্ছে ৩ লাখ ১৬ হাজার ৭৫ কোটি টাকা।
আ.দৈ/আরএস




















