নতুন কোনো কারখানা স্থাপন বা পরিচালনার পরিকল্পনা নেই সরকারের: বাণিজ্যমন্ত্রী
বসুন্ধরা যেন রাষ্ট্রের ভেতর আরেক রাষ্ট্র,
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানা নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে যে উৎকণ্ঠা রয়েছে, সেটিকে অনেকটা কল্পিত ভয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি। সরকারের পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করে বলেন, নতুন করে সরকারি মালিকানায় কোনো মিল-কারখানা চালুর পরিকল্পনা নেই।
সরকার নতুন করে কোনো মিল-কারখানা স্থাপন বা পরিচালনার পরিকল্পনা করছে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, সরকার ব্যবসার দায়িত্ব ব্যবসায়ীদের হাতেই রাখতে চায়। একই সঙ্গে রাষ্ট্রায়ত্ত মিল নিয়ে ব্যবসায়ীদের উদ্বিগ্ন না হওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।
শনিবার (২৩ মে) ফার্মগেটে পাট বহুমুখীকরণ ও উন্নয়ন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘কর্মসংস্থানে টেকসই উত্তরণ: বস্ত্র শিক্ষার্থীদের জন্য প্রস্তুতি ও পথচলা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, ব্যবসায়ীরা ব্যবসা পরিচালনা করবেন, সরকার শুধু তাদের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরি করবে। তিনি জানান, সরকার নিজে ব্যবসা করার চেয়ে বেসরকারি খাতকে শক্তিশালী করতেই বেশি আগ্রহী।রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানা নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে যে উৎকণ্ঠা রয়েছে, সেটিকে অনেকটা কল্পিত ভয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি। সরকারের পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করে বলেন, নতুন করে সরকারি মালিকানায় কোনো মিল-কারখানা চালুর পরিকল্পনা নেই।
বস্ত্রশিক্ষা নিয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, নতুন করে আর কোনো বস্ত্র কলেজ বা বস্ত্র ইনস্টিটিউট স্থাপন করা হবে না। বর্তমানে যেসব বস্ত্র প্রকৌশল কলেজ ও ইনস্টিটিউট রয়েছে, সেগুলোর পাঠ্যক্রম সময়ের চাহিদা অনুযায়ী আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের করা হবে।
মন্ত্রী আরো বলেন, বস্ত্র কলেজগুলোর ব্যবস্থাপনা ও পাঠ্যক্রম নিয়মিত হালনাগাদ করতে বেসরকারি খাতকে যুক্ত করা হবে। বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন এবং সক্ষম বেসরকারি মিলগুলোকে একেকটি কলেজের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন, কয়েকটি সফল মিল যদি একটি কলেজের সঙ্গে কাজ করে, তাহলে সেখানে শিক্ষক, আধুনিক প্রযুক্তি ও মানসম্মত শিক্ষার ঘাটতি থাকবে না। এর মাধ্যমে শিক্ষার মান ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম, সচিব আব্দুন নাসের খান, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল, বিভিন্ন বস্ত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
আ.দৈ/আরএস




















