রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ই-পেপার

রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ডিএনসিসিতে উৎসস্থলে বর্জ্য পৃথকীকরণ কার্যক্রম শুরু
নিজেস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ১০:৪২ পিএম  আপডেট: ১২.০৫.২০২৬ ১১:০২ পিএম  (ভিজিট : ৪৮)
X

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ( ডিএনসিসি) উৎসস্থলে বর্জ্য পৃথকীকরণ কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে ।
আজ মঙ্গলবার (১২ মে) রাজধানীর গুলশানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সবুজ ও হলুদ রঙের পৃথক বর্জ্য বিন এবং পলিব্যাগ বিতরণের মাধ্যমে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসি প্রশাসক মোঃ শফিকুল ইসলাম খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, (উপসচিব) মো: জুলকার নায়ন, অতিরিক্ত প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো: আরিফুর রহমান, উপপ্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোঃ মফিজুর রহমান ভুঁইয়া, সহকারী প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা মোঃ মাসুদ আহমেদ,সহকারী প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রশাসক বলেন, পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে হলে প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্বশীল হতে হবে। বর্জ্য রাস্তায় নয়, ডাস্টবিনে ফেলার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। সোসাইটি, মসজিদ কমিটি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বাড়ি মালিক সমিতির মাধ্যমে এই সচেতনতা ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে এবং এ বিষয়ে সিটি কর্পোরেশন সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।

তিনি আরও বলেন, মশা নিয়ন্ত্রণ, খাল-নালা পরিষ্কার ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন খাতে ডিএনসিসি সমন্বিতভাবে কাজ করছে এবং নাগরিকদের সহযোগিতাই এসব উদ্যোগের সফলতার চাবিকাঠি। 

প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মূল ভিত্তি হলো উৎসস্থলে বর্জ্য পৃথকীকরণ। ২০২১ সালের কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালায় এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। সচেতনতা বৃদ্ধি ও কার্যকর বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একটি পবিত্র স্থান থেকে এই কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

জনসমাগম বেশি হয় এমন স্থানগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে মসজিদ, মন্দির, গির্জা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মার্কেট ও টার্মিনালে বিন বিতরণ করা হচ্ছে।  প্রথম ধাপে মোট ৫০০টি ফাইবার বিন বিতরণ করা হচ্ছে, যার মধ্যে ২৫০টি সবুজ এবং ২৫০টি হলুদ। প্রতিটি বিনের সঙ্গে ১০০টি করে ব্যাগ দেওয়া হচ্ছে। বিনে সংযুক্ত নির্দেশনামূলক লেবেলের মাধ্যমে কোন বর্জ্য কোন বিনে ফেলতে হবে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। 

ডিএনসিসির ১০টি জোনে পর্যায়ক্রমে এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে।  সবুজ বিনে জৈব ও পচনশীল বর্জ্য যেমন রান্নাঘরের উচ্ছিষ্ট খাবার, শাকসবজি ও ফলের খোসা, মাছ-মাংসের বর্জ্য, পাতা-ঘাস ও বাগানের বর্জ্য, চা পাতা ও ডিমের খোসা ফেলতে হবে।   হলুদ বিনে অজৈব ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য বর্জ্য যেমন প্লাস্টিক বোতল ও প্যাকেট, কাগজ, কার্টন, পত্রিকা, কাঁচ, টিনজাত বস্তু, ধাতব ক্যান ও শুকনো প্লাস্টিক সামগ্রী ফেলতে হবে। 

এ ছাড়া ভেজা ও শুকনো বর্জ্য একসাথে না ফেলা, ধারালো বা ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য আলাদাভাবে রাখা, বিনের ঢাকনা বন্ধ রাখা এবং রাস্তা, ড্রেন বা খোলা স্থানে বর্জ্য না ফেলার বিষয়ে সাধারণ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

আ. দৈ./কাশেম


Advertisement
Advertisement
Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
close
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম
সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুজ্জামান সাঈদী সোহাগ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মাসুদ আলম
প্রকাশক কর্তৃক ১/২ সাগুফতা ডি লরেল (তৃতীয় তলা), কমলাপুর বাজার রোড, মতিঝিল ঢাকা-১০০০ বা/এ হইতে প্রকাশিত।

বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়ঃ খাজা আইটি পার্ক, কল্যানপুর ঢাকা -১২০৭
ফোন : 01901-025220 , ই-মেইল : ajkerdainik@gmail.com

About Us    Advertisement    Terms & Conditions    Privacy Policy    Copyright Policy    Circulation    Contact Us   
© ২০২৬ আজকের দৈনিক
🔝