বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ সব ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ শুরু করছে !
নিজস্ব প্রতিবেদক :

বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ বিভিন্ন ব্যবসায় সক্রিয় রয়েছে। তারা বিভিন্ন ব্র্যান্ড নামে তাদের আউটলেট চেইন পরিচালনা করে থাকে। বিভিন্ন কনজ্যুমার আইটেম ব্যবসায় ব্যাপকভাবে সাফল্য লাভের পর তারা ঢাকার ভোজন বিলাসী নাগরিকদের টার্গেট করে সরাসরি রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী নেমেছে।
বলতে গেলে প্রাণ গ্রুপ ব্যবসা বাণিজ্যের অধিকাংশ সেক্টরই থাবা বিস্তার করেছে। ব্যবসায়ী কোন সেক্টরই বাদ দিচ্ছে না! এখন প্রশ্ন উঠছে দেশের অন্য ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ কি ভাবে ব্যবসা করবে। বড় বড় গ্রুপগুলোই যদি একচেটিয়ে সব ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ শুরু করে তা হলে ছোট ছোট ব্যবসায়ী টিকে থাকতে পারবে কিনা সন্দেহ রয়েছে।
প্রাণের জনপ্রিয় কিছু হালকা খাবার চেইন আউটলেট:
মিঠাই (Mithai): এটি তাদের অন্যতম সফল চেইন। এখানে প্রধানত মিষ্টির পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের ঐতিহ্যবাহী দেশি খাবার এবং নাশতা পাওয়া যায়।
টেস্টি ট্রিট (Tasty Treat): এটি মূলত বেকারি আইটেমের জন্য পরিচিত হলেও, তাদের অনেক বড় আউটলেটগুলোতে ফাস্ট ফুড (যেমন- বার্গার, ফ্রাইড চিকেন, পাস্তা) এবং বসে খাওয়ার সুবিধা রয়েছে।
ঝটপট (Jhotpot): এটি মূলত ফ্রোজেন ফুড ব্র্যান্ড হলেও কিছু স্থানে তাদের কিওস্ক বা কুইক সার্ভিস আউটলেট রয়েছে। কফি টাইম (Coffee Time): কফি এবং হালকা খাবারের জন্য তারা এই ব্র্যান্ডটি পরিচালনা করে।
ফ্রাই বাকেট (Fry Bucket): মূলত তাদের মুচমুচে ফ্রাইড চিকেন এবং বিভিন্ন ভেরিয়েশনের ফ্রাইজের জন্য পরিচিত।
ডেইলি দাওয়াত ( Daily Dawat ) : বাংলা খাবারের রেস্টুরেন্ট । মূলত সরাসরি 'ফাইন ডাইনিং' বা বড় রেস্তোরাঁ ব্র্যান্ডের চেয়ে কুইক সার্ভিস রেস্টুরেন্ট (QSR) এবং বেকারি ক্যাফে মডেলের ওপর ভিত্তি করেই প্রাণ তাদের রেস্তোরাঁ ব্যবসা সম্প্রসারণ করছে। ঢাকার প্রায় প্রতিটি এলাকায় এবং ঢাকার বাইরেও তাদের এই আউটলেটগুলো এখন নিয়মিত চোখে পড়ে।
সর্বশেষ টুকটুক এক্সপ্রেস নামে গুলশানে থাই রেস্তোরাঁ চালু করেছে প্রাণ গ্রুপ। শুধু খাবার নয়, থাই সংস্কৃতি, আতিথেয়তা ও প্রাণবন্ত পরিবেশও এখানে উপভোগ করা যাবে।’
প্রাণের কর্পোরেট পূজি ও ব্যবসায়িক পলিসির কাছে ছোট ছোট বেকারি ও কনফেকশনারী অনেক আগেই মার খেয়েছে। এখন টুকটুক এর কারনে মার খাবে প্রায় দেশে ১৮৫০০০ নিবন্ধিত রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী।
আ. দৈ./কাশেম




















