বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,
১২ কার্তিক ১৪৩৩
ই-পেপার

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের সম্পত্তি আত্মসাতে জড়িতদের শাস্তি দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ৬:১০ পিএম   (ভিজিট : ২৬৫)
X

গুলিস্তান কমপ্লেক্সসহ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের সম্পত্তি আত্মসাৎ ও দুর্নীতির ঘটনা উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের সাবেক প্রধান আব্দুল কাইয়ুম খান স্বপন।

 তিনি বলেন, সাবেক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, শাজাহান খান, সাবেক এমডি ইফতেখারুল ইসলাম খান, শিকদার মোঃ মাহবুবুর রহমানসহ জড়িত সকল দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার বিচারের দাবি জানান তিনি।

শনিবার বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনে (ক্র্যাবে) এসে তিনি সাংবাদিকদের জানান, ২০১৯ সালে তিনি মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের গুলিস্তান কমপ্লেক্সের প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই কমপ্লেক্সের ৬৩ শতাংশ জমির বর্তমান বাজারমূল্য পাঁচশ’ কোটি টাকা। 

সাবেক কতিপয় মন্ত্রীসহ ট্রাস্টের কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা মিলে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনক্রমে দি ওয়েস্টার্ন ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড এর স্বত্বাধিকারী এস এম আলাউদ্দিন সাহেবের সাথে একটি জাতীয় স্বার্থবিরোধী চুক্তি করেন। চুক্তির শর্তমতে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের সম্পত্তির কোনো মালিকানা পাবে না। শতভাগ মালিকানা পাবে ডেভেলপার কোম্পানি।

 ট্রাস্ট শুধুমাত্র নামমাত্র ভাড়া পাবে। তিনি যোগদানের পর এই চুক্তির তীব্র বিরোধিতা করেন এবং শত কোটি টাকার দুর্নীতির একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদন দাখিলের পরপরই সাবেক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের সরাসরি নির্দেশে এবং শাজাহান খানের পরামর্শে সাবেক এমডি মোহাম্মদ ইফতেখারুল ইসলাম খান তাকে কোনো প্রকার কারণ দর্শানোর নোটিশ ছাড়াই চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করেন। 


শুধু তাই নয় তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ আনা হয়। তাকে সমাজে হেয় ও চাকরিচ্যুত করতে ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ, ১০ লাখ টাকা চাঁদাবাজির মামলা এবং পূর্ণিমা ফিলিং স্টেশন থেকে ৫০ লাখ টাকার অধিক তেল চুরির মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়। আদালতের রায়ে মামলায় জেতার পরও সাবেক এমডি শিকদার মো. মাহবুবুর রহমান তাকে চাকরিতে যোগদান করতে দেননি। 

সাত মাস পর মন্ত্রীর নির্দেশে আবার আপিল করা হলে আপিল আদালতেও তার পক্ষে রায় আসে। তবুও তাকে যোগদান করতে না দিয়ে নামমাত্র টাকা দিয়ে জোরপূর্বক বিদায় করে দেওয়া হয় এবং প্রাপ্য দুটি পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত করা হয়। এসব বিষয়গুলো তদন্ত করে দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে সরকারের উচ্চ মহালের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের সাবেক এই প্রধান কর্মকর্তা।

আ.দৈ/আরএস







Advertisement
Advertisement
Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
close
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম
সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুজ্জামান সাঈদী সোহাগ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মাসুদ আলম
প্রকাশক কর্তৃক ১/২ সাগুফতা ডি লরেল (তৃতীয় তলা), কমলাপুর বাজার রোড, মতিঝিল ঢাকা-১০০০ বা/এ হইতে প্রকাশিত।

বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়ঃ খাজা আইটি পার্ক, কল্যানপুর ঢাকা -১২০৭
ফোন : 01901-025220 , ই-মেইল : ajkerdainik@gmail.com

● About Us    ● Advertisement    ● Terms & Conditions    ● Privacy Policy    ● Copyright Policy    ● Circulation    ● Contact Us   
© ২০২৬ আজকের দৈনিক
🔝