৭ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানির উদ্যোগ: শিল্পমন্ত্রী
নিজেস্ব প্রতিবেদক

বিশ্বব্যাপী চলমান যুদ্ধ ও বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইন সংকটের কারণে সারের উৎপাদন ঘাটতি মেটাতে সরকার ৭ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর।
রোববার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। এদিন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে রোববার সংসদের প্রশ্ন-উত্তর টেবিলে সদস্যের প্রশ্নটি উত্থাপিত হয়।
লিখিত জবাবে শিল্পমন্ত্রী জানান, বর্তমানে বিশ্বে চলমান বিভিন্ন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সবকটি ইউরিয়া সার কারখানায় পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বর্তমানে কেবল ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি উৎপাদনে রয়েছে।
এই উৎপাদন ঘাটতি মোকাবিলায় সরকার জিটুজি চুক্তির আওতায় সৌদি বেসিক ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন-সাবিক (এসএবিআইসি) হতে ২ লাখ মেট্রিক টন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফার্টিগ্লোব হতে ১ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া আমদানির প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক কোটেশন পদ্ধতির মাধ্যমে আরও ৪ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কারখানা চালুর বিষয়ে মন্ত্রী জানান, জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে ১ মে হতে শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডে গ্যাস সরবরাহ পাওয়া গেলে সেটিও চালু করা সম্ভব হবে। শিল্প কারখানায় ব্যবহৃত জ্বালানি ও কাঁচামাল সংগ্রহের জন্য জিটুজি ও টেন্ডার পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে।
টিএসপি ও ডিএপি সারের বিষয়ে খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর বলেন, টিএসপি ও ডিএপি সার কারখানার উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে কাঁচামাল হিসেবে রক ফসফেট, ফসফরিক এসিড ও সালফার সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে। এজন্য টেন্ডারের পাশাপাশি উৎপাদনকারী দেশ মরক্কো, জর্ডান, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন ও মালয়েশিয়া হতে জিটুজি চুক্তির মাধ্যমে আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আ.দৈ/আরএস




















