ওয়াশিংটন ডিসিতে বসন্তকালীন বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু
দেশের স্বার্থ নিয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা
নিজস্ব প্রতিবেদক :

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফের কিস্তি সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আইএমএফের সঙ্গে দেন-দরবারে কয়েকটি বিষয়ে সমাধান হয়নি। আগামী দুই সপ্তাহে আলোচনার মাধ্যমে সেগুলো সমাধানের চেষ্টা করা হবে। আইএমএফের হ্যাঁ বা না বলার সুযোগ নেই। বিষয়টি এমন না আলোচনা আজকে শেষ, সামনে আরও আলোচনা হবে।
সবাইকে বুঝতে হবে এটা একটা চলমান প্রক্রিয়া। অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বার্থ রক্ষা করে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নেবে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের ঋণের কিস্তি ছাড়ের বিষয়ে, এখনো কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি আইএমএফ। আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) ওয়াশিংটন ডিসিতে বিশ্বব্যাংক আইএমএফের চলমান বসন্তকালীন বৈঠকে সংস্থাটির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাইজেল ক্লার্কের সঙ্গে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
কম রাজস্ব আহরণ ও ব্যাংকিং খাতের সংস্কারের কারণে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের কিস্তি না করে দিয়েছে। এমন একটা সংবাদের বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, যিনি এমন সংবাদ লিখেছেন তাকে এর উত্তর দিতে হবে আমার এমন বিষয়ে কিছু জানা নেই।
আইএমএফের সঙ্গে বাংলাদেশের সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণ কর্মসূচি চলছে। এ পর্যন্ত ৫ কিস্তিতে সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলারের কিছু বেশি পরিমাণ অর্থ পেয়েছে বাংলাদেশ। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে স্থগিত করে রাখা কিস্তির অর্থ ছাড়ে আলোচনা চলছে বেশ কিছুদিন ধরে।
ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের বসন্তকালীন সভায়, এই ঋণের অর্থ ছাড় নিশ্চিতের চেষ্টা ছিল অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের। ১৩ এপ্রিল শুরু হওয়া বৈঠকের পঞ্চম দিনে, আইএমএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাইজেল ক্লার্কের সঙ্গে বৈঠকেও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হয় ঋণের কিস্তি ছাড়ের বিষয়টি। এবারের বসন্তকালীন বৈঠকের আলোচনাগুলোতে বাংলাদেশকে বিভিন্ন খাতে সংস্কার এগিয়ে নেওয়ার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে আইএমএফ। অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বার্থ রক্ষা করে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নেবে বাংলাদেশ।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে অর্থমন্ত্রী বলেন, আইএমএফের সঙ্গে বাংলাদেশের ৫.৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণ প্যাকেজ নিয়ে আলোচনা একটি চলমান প্রক্রিয়া। কিছু বিষয় এখনও অমীমাংসিত রয়ে গেছে যা আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন যে এরইমধ্যে অনেকগুলো বিষয় সফলভাবে সমাধান করা হয়েছে।
আ. দৈ/কাশেম




















