রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ই-পেপার

রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিডিআর বিদ্রোহে শহীদদের কবর জিয়ারত করে জামায়াত আমির
বিডিয়ার হত্যাকাণ্ডে আ’লীগের যোগসূত্র ছিল: ডা. শফিকুর রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৪৭ পিএম  আপডেট: ২৫.০২.২০২৬ ৩:৫২ পিএম  (ভিজিট : ৫৩)
X

বাংলাদেশের ইতিহাসে জগন্যতম নৃশংস হত্যাকান্ড, রাজধানীর পুরান ঢাকায় পিলখানা ট্র্যাজেডি। ৫৭জন দেশপ্রেমক সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪জনকে শহীদ করা হয়েছে। আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর। 

২০০৯ সালের  এই দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে একযোগে তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর) সদস্যদের বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে। তবে সবচেয়ে ভয়াবহ ও নির্মম হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয় রাজধানী ঢাকার পিলখানায় অবস্থিত বিডিআর সদর দপ্তরে।

এদিকে জাতীয় সংসদের বিরোধী নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে বিডিয়ার হত্যাকাণ্ডের যোগসূত্র ছিল। সে কারণেই প্রকৃত তদন্ত প্রতিবেদন আজও জনসমক্ষে আনা হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের কবর জিয়ারত শেষে গণমাধ্যমকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন। শফিকুর রহমান বলেন, এখন বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায়। বিএনপি যদি বিডিআর হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে না পারে, তবে এটি হবে তাদের চরম ব্যর্থতা। অবিলম্বে এই হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্ত এবং নেপথ্যে থাকা প্রধান ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।

তিনি বলেন, ২০০৯ সালে পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের নামে যা ঘটেছিল, তা ছিল মূলত দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে সামরিকভাবে দুর্বল করার এক সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। ওইদিন যাদের হত্যা করা হয়েছে, তাদের আগে থেকেই পরিকল্পনা করে টার্গেট করা হয়েছিল। এটি কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না।

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দপ্তরে বিদ্রোহে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন প্রাণ হারান। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিচার ও নেপথ্যের কারণ নিয়ে এখনো রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক রয়ে গেছে।  

আজ দুপুর পৌনে ১টায় রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে শহীদদের প্রতি দোয়া ও মোনাজাত করেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ওই সময় তার সঙ্গে জামায়াতের বেশ কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন। তারা বিডিআর বিদ্রোহে নিহতদের পরিবারের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছর বাংলাদেশের ইতিহাসে বিভীষিকাময় ও শোকাবহ দিনটি জাতীয় শহীদ সেনা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়।

আ. দৈ./কাশেম


Advertisement
Advertisement
Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
close
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম
সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুজ্জামান সাঈদী সোহাগ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মাসুদ আলম
প্রকাশক কর্তৃক ১/২ সাগুফতা ডি লরেল (তৃতীয় তলা), কমলাপুর বাজার রোড, মতিঝিল ঢাকা-১০০০ বা/এ হইতে প্রকাশিত।

বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়ঃ খাজা আইটি পার্ক, কল্যানপুর ঢাকা -১২০৭
ফোন : 01901-025220 , ই-মেইল : ajkerdainik@gmail.com

About Us    Advertisement    Terms & Conditions    Privacy Policy    Copyright Policy    Circulation    Contact Us   
© ২০২৬ আজকের দৈনিক
🔝