রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ই-পেপার

রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চট্টগ্রাম কাস্টমসের ১০ কর্মকর্তাসহ আসামি- ১৫
আলু রপ্তানির নামে সরকারের ৭.৫০ কোটি টাকা আত্মসাৎ, দুদকের মামলায়
নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: শনিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:১১ পিএম  আপডেট: ০১.১১.২০২৫ ৭:১৪ পিএম  (ভিজিট : ১১৬)
X

আলু রপ্তানির নামে ভুয়া শিপিং বিল,ক্রেডিট রেটিং,চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের সনদসহ জাল কাগজ ব্যাংকে দাখিল করে সরকারের প্রণোদনার সাড়ে ৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চট্টগ্রাম কাস্টমসের ১০ কর্মকর্তাসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ জিন্নাতুল ইসলাম বাদী হয়ে গত ৩০ অক্টোবর মামলাটি দায়ের করেন। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে।

গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানান দুদকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। তিনি আরো জানান, বিদেশে আলু রপ্তানির নামে একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে সরকারের নগদ প্রণোদনার প্রায় ৭ কোটি ৫৪ লাখ টাকা প্রণোদনা হাতিয়ে নিয়েছেন। দুদকের অনুসন্ধানী কর্মকর্তা সরকারি ওই টাকা আত্মসাতের একটি চাঞ্চল্যকর কৌশল উদঘাটন করেছেন। ‘অন্তরা কর্পোরেশন’ নামের কাগুজে প্রতিষ্ঠান দেখিয়ে ৯৬টি ভুয়া বিল অব এক্সপোর্ট দাখিলের মাধ্যমে ওই অর্থ আত্মসাৎ করেন।

দুদকের মামলা আলোচিত আসামিদের মধ্যে রয়েছে, চট্টগ্রাম কাস্টমসের বর্তমান ও সাবেক ১০ কর্মকর্তা এবং ৫ ব্যবসায়ী। কাস্টমস কর্মকর্তারা হলেন; সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা মো. জয়নাল আবেদীন, মো. জাহাঙ্গীর আলম, বাসুদেব পাল, মো. আশরাফুল ইসলাম, মো. আব্দুর রাজ্জাক, দিদারুন নবী, সাবেক সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা রনি বড়ুয়া ও মো. আরিফুর রহমান, বর্তমান কর্মকর্তা ফারহানা আকরাম ও মো. মাহবুবুর রহমান।

ব্যবসায়ীদের মধ্যে রয়েছেন, অন্তরা কর্পোরেশনের স্বত্বাধিকারী মো. মুশতাক খান, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এ. অ্যান্ড জে. ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের অংশীদার মো. আবদুল জলিল আকন ও মো. আলতাফ হোসেন, প্যান বেঙ্গল এজেন্সিজের মো. সেলিম, এবং জি. আর. ট্রেডিং করপোরেশন সিঅ্যান্ডএফ লিমিটেডের মো. আব্দুল রহিম।

মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৫ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত সময়ের মধ্যে “তাজা আলু রপ্তানি”দেখিয়ে আসামিরা কাস্টমসের অ্যাসিকিউডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেমে ৯৬টি ভুয়া বিল অব এক্সপোর্ট জমা দেন। দুদকের তদন্তে দেখা যায়, কোনো অফ-ডকে পণ্য আনা বা রপ্তানির প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ সব নথিই ছিল কাগুজে।

ভুয়া শিপিং বিল,ক্রেডিট রেটিং,চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের সনদসহ নানা কাগজ ব্যাংকে দাখিল করে আসামিরা সরকারের ২০ শতাংশ হারে নগদ প্রণোদনা গ্রহণ করেন।এই অর্থ তারা উত্তরা ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক, ও ব্যাংক এশিয়ার দিলকুশা শাখা থেকে উত্তোলন করেন।

আ. দৈ. /কাশেম



Advertisement
Advertisement
Loading...
Loading...
অর্থ-বাণিজ্য- এর আরো খবর
close
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম
সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুজ্জামান সাঈদী সোহাগ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মাসুদ আলম
প্রকাশক কর্তৃক ১/২ সাগুফতা ডি লরেল (তৃতীয় তলা), কমলাপুর বাজার রোড, মতিঝিল ঢাকা-১০০০ বা/এ হইতে প্রকাশিত।

বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়ঃ খাজা আইটি পার্ক, কল্যানপুর ঢাকা -১২০৭
ফোন : 01901-025220 , ই-মেইল : ajkerdainik@gmail.com

About Us    Advertisement    Terms & Conditions    Privacy Policy    Copyright Policy    Circulation    Contact Us   
© ২০২৬ আজকের দৈনিক
🔝