ভোটে এআই ও ড্রোন ব্যবহারে সীমাবদ্ধতার কথা ভাবছে ইসি
নিজেস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ড্রোন প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ ধরনের প্রযুক্তি প্রয়োগে বিভিন্ন জটিলতা ও নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকার কারণে এর ব্যবহার সীমিত রাখার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকে।
সোমবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নূরুল হুদা নেতৃত্বাধীন ইসি। দুপুর পর্যন্ত চলা বৈঠকে নির্বাচনের নিরাপত্তা, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সামগ্রিক প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়।
ইসি সূত্র জানায়, বৈঠকে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাথমিক প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। ভোটার তালিকা হালনাগাদ, আসন পুনঃবিন্যাস এবং ভোটকেন্দ্র নির্ধারণের কাজ শেষ পর্যায়ে। পাশাপাশি ভোটার তালিকার সিডি তৈরি, রাজনৈতিক দল নিবন্ধন এবং কেন্দ্র নির্ধারণ প্রক্রিয়াও চলমান।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তফসিল ঘোষণা করা হবে এবং রোজার আগে ফেব্রুয়ারির প্রথম ভাগেই ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে।
বৈঠকে ইসি কর্মকর্তারা বলেন, নির্বাচনকালীন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিন ধাপে দায়িত্ব পালন করবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। এর মধ্যে ভোটের আগে, ভোটের দিন এবং ভোটের পরবর্তী সময়— এই তিনটি পর্যায়েই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।
সভায় আরও জানানো হয়, ভোটে ভুয়া খবর ছড়ানো, বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট তৈরিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার বা ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চালানোর মতো ঘটনা রোধে বিশেষ নজরদারি ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।
আ.দৈ/আরএস




















