পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে শাহবাগ মোড়ে শিক্ষকরা, যান চলাচল বন্ধ
নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজেদের তিন দফা নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছেন আন্দোলনরত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক–কর্মচারীরা। আজ বুধবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে বড় মিছিল নিয়ে বেলা দুইটায় শিক্ষক–কর্মচারীরা শাহবাগ মোড়ের উদ্দেশে রওনা দেন।
পথে শাহবাগের প্রবেশমুখে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে রাখে। তবে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করে সেই প্রতিবন্ধক ভেঙে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন তাঁরা। তারা জানান, যতক্ষণ তাদের ২০ শতাংশ বাড়িভাড়া ও ১৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি না হচ্ছে, ততক্ষণ তারা সড়কে অবস্থান করবেন।
এদিকে আন্দোলনরত হাজার হাজার শিক্ষকের অবস্থানের কারণে গুরুত্বপূর্ণ শাহবাগ মোড় হয়ে যানবাহনের চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।
রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শাহবাগ মোড়ে যাওয়ার পথে পুলিশ ব্যারিকেড দিলেও তা ভেঙে এগিয়ে যান শিক্ষক–কর্মচারীরা
রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শাহবাগ মোড়ে যাওয়ার পথে পুলিশ ব্যারিকেড দিলেও তা ভেঙে এগিয়ে যান শিক্ষক–কর্মচারীরা।
আন্দোলনকারীরা স্লোগান দিচ্ছেন, ‘তুমি কে, আমি কে, শিক্ষক শিক্ষক’, ‘২০ শতাংশ বাড়িভাড়া দিতে হবে, দিয়ে দাও’, ‘দাবি মোদের একটাই, দ্রুত প্রজ্ঞাপন চাই’। এর আগে বেলা ১১টা থেকে শহীদ মিনারে জড়ো হতে থাকেন শিক্ষক–কর্মচারীরা। সেখানে তাঁদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন শিক্ষকদের বিভিন্ন সংগঠন ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপির) নেতৃবৃন্দ।
]
মূল বেতনের ২০ শতাংশ বাড়িভাড়াসহ তিন দফা দাবিতে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা গত রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে লাগাতার অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন। এতে সারা দেশ থেকে আসা বিপুলসংখ্যক শিক্ষক-কর্মচারী অংশ নেন। কিন্তু সেখানে বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি তাঁরা। লাঠিপেটা, সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান থেকে পানি ছুড়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। পরদিন সোমবার থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আন্দোলন করছিলেন তাঁরা। শিক্ষক-কর্মচারীদের অন্য দুটি দাবি হলো শিক্ষক ও কর্মচারী উভয়ের জন্য চিকিৎসা ভাতা দেড় হাজার টাকা ও কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ৭৫ শতাংশ করা।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে সচিবালয়ের অভিমুখে মিছিল করেন আন্দোলনরত শিক্ষকেরা। হাইকোর্টের মাজারসংলগ্ন গেটে মিছিল আটকে দেয় পুলিশ। সেখানেই রাত পর্যন্ত শিক্ষকদের অবস্থান করতে দেখা যায়। আজ সকাল থেকে আবারও শহীদ মিনারে জড়ো হতে শুরু করেন তাঁরা।
আ.দৈ/আরএস




















