তুরস্কের নাগরিকের কাছে অর্থ দাবি, ভুয়া এনএসআই গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক :

রাজধানীতে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই) কর্মকর্তা পরিচয়ে তুরস্কের এক নাগরিকের কাছে অর্থ দাবির অভিযোগ।
পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রতারণ মো. রুবেল হোসেন (৩৮)কে গ্রেপ্তার করেছে। গতকাল শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বেলা আনুমানিক আড়াইটার দিকে মিরপুরের পূর্ব কাজীপাড়া এলাকা থেকে এই প্রতারককে গ্রেপ্তার করে ডিএমপির গুলশান থানা-পুলিশ।
আজ রোববার (২১সেপ্টেম্বর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
গুলশান থানা-পুলিশের বরাত দিয়ে তালেবুর রহমান বলেন, গত ৩১ আগস্ট সকাল আনুমানিক ৯টা ৫১ মিনিটে টার্কিশ এয়ারলাইনসের কর্মকর্তা সেরকান আকান তার বাসা থেকে কর্মস্থলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এসময় অজ্ঞাতনামা একটি নম্বর থেকে একটি কল আসে তার মোবাইল ফোনে। কলকারী নিজেকে এনএসআই গুলশান জোনের সহকারী পরিচালক (এডি) আব্দুল মুহিন বলে পরিচয় দেন।
পুলিশ কর্মকর্তা মুহাম্মদ তালেবুর আরও বলেন, কলকারী ব্যক্তি জানান পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য সেরকানকে কল করেছেন তিনি। সেরকান তখন তার দোভাষীর সঙ্গে কথা বলিয়ে দেন। এনএসআইয়ের এডি পরিচয়দানকারী ব্যক্তি এ সময় সেরকানের পাসপোর্ট নম্বর ও জন্ম তারিখ মিলিয়ে নেন এবং বলেন, পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন করে পুলিশের বিশেষ শাখায় (এসবি) জমা দিতে হবে। এই কাজের জন্য পাঁচ হাজার টাকা দিতে হবে। না হলে ভেরিফিকেশন আটকে দিবেন, তখন এক লাখ টাকা দিতে হবে।
তিনি টাকা দিতে অস্বীকার করলে এনএসআই কর্মকর্তা পরিচয়দানকারী ব্যক্তি তাকে নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। বিষয়টি পরবর্তীতে টার্কিশ এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে থানায় লিখিতভাবে জানানো হয়। পরে গুলশান থানায় একটি নিয়মিত মামলা করা হয়।
উপ-পুলিশ কমিশনার তালেবুর বলেন, মামলাটি তদন্তকালে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গুলশান থানা-পুলিশের একটি টিম শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বেলা আনুমানিক আড়াইটার দিকে মিরপুরের পূর্ব কাজীপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এসময় এনএসআই-এর এডি হিসেবে পরিচয়দানকারী রুবেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে মোবাইলের একটি সিম ও বিভিন্ন লোকের পাসপোর্টের তথ্যসম্বলিত বিভিন্ন কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়।গ্রেপ্তার রুবেলকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আ. দৈ./কাশেম




















