ডাকসু নিয়ে উত্তাপ কমাতে তৎপর তিন উপদেষ্টা, বিএনপি ও জামায়াতের সঙ্গে যোগাযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ফলাফল ঘিরে তৈরি হয়েছে উত্তাপ।
মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বাইরে নানা জায়গায় জড়ো হয়েছেন বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা।তারা পরস্পর বিরোধী শ্লোগান দিচ্ছেন, এতে ছড়িয়ে পড়ছে উত্তেজনা। এ অবস্থায় উত্তেজনা নিরসনে তৎপর হয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের তিন উপদেষ্টা।
বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের সঙ্গেই তারা যোগাযোগ করেছেন। তিন উপদেষ্টার পাশাপাশি প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনারও দুই দলের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন।
বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী নেতাদের তারা অনুরোধ করেছেন,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশে অবস্থান নেওয়া দলীয় কর্মীদের ফিরিয়ে নিতে। ক্যাম্পাসে বহিরাগতরা প্রবেশ করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর হতে বাধ্য হবে বলেও সরকারের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। উভয় দলের নেতারা এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। নিজ দলের কর্মীদের এরই মধ্যে তারা ক্যাম্পাসে প্রবেশ থেকে বিরত ও সংযত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত কর্মীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের এলাকায় অবস্থান ছেড়ে না যাওয়ার কথাও বলেছেন উভয় দলের নেতারা।
প্রায় সাড়ে ছয় বছর পর মঙ্গলবার সম্পন্ন হয় ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। শুরুতে ভোটের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ থাকলেও আচরণবিধি লঙ্ঘন এবং কারচুপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেন ছাত্রদল, ইসলামী ছাত্রশিবির ও বাগছাসের সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থীরা।
নির্বাচনের দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিরাগতদের প্রবেশ নিষেধ ছিল। ক্যাম্পাসের প্রবেশপথগুলোতে দিনভর বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের অবস্থান করতে দেখা যায়। সন্ধ্যার পর বাড়তে থাকে উত্তেজনা, সেই সঙ্গে বাড়তে থাকে কর্মীদের ভিড়।
এ পরিস্থিতিতে উত্তেজনা নিরসনে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ, আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফট্যানেন্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখস চৌধুরী এবং ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাদ আলী টেলিফোনে কথা বলেন দুই দলের নেতাদের সঙ্গে।
আ.দৈ/আরএস




















