দুর্নীতির লাগাম টানতে প্রধানমন্ত্রীর আশুহস্তক্ষেপ প্রয়োজন
ডিএনসিসিতে আসবাবপত্র ক্রয়ে শত কোটি টাকার দুর্নীতি, এজাজ সিন্ডিকেট এখনো প্রশাসকের শেল্টারে
আবুল কাশেম:

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ব্যাপক আলোচিত দুর্নীতির মধ্যে ছিল ‘বালিশ কান্ড ও ছাগল কান্ড’। এরপর অন্তর্বতীকালীন সরকারের আমলে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ সিন্ডিকেটের ভয়াবহ জালিয়াতি, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকায় ক্রয়ে 'আসবাবপত্র কান্ডটিও' এবার বেশ অলোচিত। বাজার মূল্যের কয়েকগুন বেশি দামে, চাহিদার ও প্রয়োজনের অতিরিক্ত সংখ্যক আসবাবপত্র ক্রয় করা হয়েছে।
বর্তমানে কয়েক শত কোটি টাকায় ক্রয় করা ওইসব ‘আসবাবপত্র’ বিভিন্ন দপ্তরে ফেলে রাখা হয়েছে। সচিবের দপ্তরের মানের লাখ লাখ টাকার মল্যের অনেক ‘আসবাবপত্র’ আজ ডিএনসিসির ক্লিনার ও ড্রাইভারদের সংগঠনের নেতা-কর্মীদের নিজস্ব কার্যালয়ে পর্যন্ত সরবরাহ করার হয়েছে। এরপও অনেক আসবারপত্র ডিএনসিসির আঞ্চলিক কার্যালয়ে বিভিন্ন ফ্লোরে এবং বারাবন্দায় ফেলে রাখা হয়েছে। ক্রয় করা আরো বেশ কিছু আসবাবপত্র ঠিকাদারের নিয়ন্ত্রিত কারখানায় ও ডিএনসিসির স্টোরে রয়েছে বলে জানা যায়।
অভিযোগ উঠেছে কোটি কোটি টাকা লোপাট এবং কমিশন ভাগাভাগির জন্য সাবেক প্রশাসক এজাজের সিন্ডিকেটের সদস্যরা ঠিকাদারের যোগসাজশে অনেক বেশি মূল্য নির্ধারণ করে ইচ্ছামাফিক আসবারপত্র ক্রয় করেছে।
‘আজকের দৈনিক পত্রিকার’ পক্ষ থেকে তথ্য অধিকার আইনে নির্ধারিত ফরমে গত ৮ জুলাই ডিএনসিসির তথ্য কর্মকর্তার মাধ্যমে লিখিতভাবে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে ক্রয়কৃত চেয়ার, টেবিল আলমারী, সোফা, ফাইল কেবিনেট ও ফ্রিজ ক্রয়ে টেন্ডার সংক্রান্ত দাপ্তরিক তথ্য চাওয়া হয়েছে। আবেদন ফরমে পৃথকভাবে চাওয়া হয়েছে, ক্রয়করা আসবারপত্রের, প্রতিটির মূল্য কত, করে টেন্ডার করা হয়েছে, কবে টেন্ডার ওপেন করা হয়েছে, করে আসবাবপত্র গ্রহণ করা হয়েছে, ঠিকাদারকে কয়বারে কত টাকার বিল পরিশোধ করা হয়েছে।

এছাড়াও ডিএনসিসির কোন দপ্তর, বিভাগ এবং অঞ্চল থেকে লিখিতভাবে কি ধরনের আসবাবপত্রের চাহিদা দেওয়া হয়েছে এবং আগের আসবাবপত্রগুলো কোথায় রাখা হয়েছে। এসব আসবাবপত্র ক্রয়ের আগে বোর্ডের অনুমোদন কবে নেওয়া হয়েছে। ক্রয় কমিটিতে কারা আছেন এসব তথ্য চাওয়া হয়েছে। কিন্তু এসব বিষয়ে ডিএনসিসির ক্রয় ও ভান্ডার বিভাগ সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর সঠিক তথ্য প্রদান করেনি।
এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অনেক চেষ্টা করেও ডিএনসিসিতে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে ডিএনসিসিতে ক্রয়কৃত চেয়ার, টেবিল আলমারী, সোফা, ফাইল কেবিনেট, ফ্রিজসহ প্রতিটি আইটেমের ক্রয় মূল্য, টেন্ডার আহবান, টেন্ডার ওপেন এবং কত কোটি টাকার মালামাল ক্রয় করা হয়েছে এ সংক্রান্ত কোন তথ্য প্রদান করেনি ডিএনসিসি। ডিএনসিসির তথ্য কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ুন কবির খান এই প্রতিনিধি জানান, সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে তথ্য সরবরাহ করতে তিনি বারবার ওই সব যোগাযোগ করেছেন এবং তথ্য দিতে তাগিদ দিয়েছেন এরপরও তথ্য না দিলে তার করার কিছুই নেই।
এদিকে নাম না প্রকাশের শর্তে ডিএনসিসির একাধিক কর্মকর্তা অক্ষেপ করে 'আজকের দৈনিক পত্রিকাকে' বলেন, প্রদানমন্ত্রী এই দেশটাকে দুর্নীতি মুক্ত,আধুনিক,পরিচ্ছন্ন ও ডেঙ্গুমুক্ত সত্যিকার বাংলাদেশ গড়ার জন্য দিন রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তারই অংশ হিসেবে ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে দুর্নীতিমুক্ত, বাসযোগ্য, পরিচ্ছন্ন ও মশা নিয়ন্ত্রীত নগরী গড়তে মাঠে ময়দানে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কিন্তু চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেটের কারণে প্রধানমন্ত্রীর মহৎ উদ্যোগ কাঙ্খিতমানের সফলতা পাসছে না।
তবে বর্তমান প্রশাসক ও বিএনপি নেতা মো.শফিকুল ইসলাম খান মিলটনের প্রশাসনের শেল্টার এখনো দাপটের সাথে বহাল তবিয়তে আছেন প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ সিন্ডিকেটের চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের পক্ষ থেকে দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করেন ডিএনসিসিতে কর্মরত দেশপ্রেমিক জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী, সৎ ও প্রতিবাদী কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
তারা আরো জানান, এরআগে সাবেক প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের আমলে ডিএনসিসিতে আসবাবপত্র সহ বিবিন্ন আইটেমের জিনিসপত্র ক্রয়, লোকদেখানো নানা কর্মসূচি পালন এবং উন্নয়ন প্রকল্পের নামে কয়েক হাজার কোটি টাকা খরচ দেখিয়ে লোপাট করেছেন।আর এই লোপাটের জন্য এই সিন্ডিকেটর সহযোগিতায় তৎকালীন প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বার্ষিক বাজেট ৩ হাজার কোটি টাকা থেকে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা করেছিলেন। এরপরই শুরু হয় ডিএনসিসিতে ফ্রী স্টাইলে দুর্নীতি আর লোপাট, তারই ধারাবাহিকতা বর্তমানে অরো বেশি লোপাট হচ্ছে।
এদিকে গত ২৮ এপ্রিল ডিএনসিসির তথ্য কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ুন কবির খানের মাধ্যমে তথ্য অধিকার আইনে প্রথমে ডিএনসিসি'র ভান্ডার ও ক্রয় বিভাগ কর্তৃত চলতি অর্থবছরে (২০২৫-২৬) ক্রয়কৃত চেয়ার, টেবিল, সোফা, আলমিরা, ফাইল ক্যাবিনেট এবং ফ্রিজ ক্রয় সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য চেয়ে আবেদন জানানো হয়।ওই আবেদনের দুই মাস পর গত ২৮ জুন ডিএনসিসির ভান্ডার ও ক্রয় বিভাগ থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে ক্রয় সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি গোপন রেখে আংশিক তথ্য সরবরাহ করা হয়। কয়েকটি আইটের আসবাবপত্র ক্রয় এবং সরবরাহের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। কিন্তু প্রতিটি আইটের ক্রয় মূল্য কত, ওই আইটেমে মোট কতটি এবং কোটি টাকায় ক্রয় করা হয়েছে উল্লেখ করা হয়নি। এমনকি সব আইটেম ক্রয়ে কত কোটি টাকা ডিএনসিসির ফান্ড থেকে বিল পরিশোধ করা হয়েছে তাও উল্লেখ করা হয়নি।
তথ্য অধিকার আইনে করা আবেদনের জবাবে ২৮ জুন ডিএনসিসিতে বলা হয়েছে, ভান্ডার ও ক্রয় বিভাগ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ফার্নিচার, আলমিরা, ফারাল ক্যাবিনেট ক্রয়/সরবরাহ করা হয়নি। এসব গত ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে ক্রয়/সরবরাহ করা হয়েছে। বিভিন্ন বিভাগ, দপ্তর, সার্কেল ও আঞ্চলিক কার্যালয়ের চাহিদার প্রেক্ষিতে ক্রয়কৃত উক্ত আইটেম সমূহ সরবরাহ/বিতরণ করা হয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থ বছর স্টিলের আলমিরার ক্রয় ৬৫০টি এবং ওয়ার্ক অর্ডার ৬৫০টি এবং সরবরাহ হয়েছে ৬৫০ টি। ফাইল ক্যাবিনেট ক্রয় ৪৮০টি এবং ওয়ার্ক অর্ডার ২৮০ এবং সরবরাহ হয়েছে ২০৫ টি, দোকানে/স্টোরে আরো ৭৫টি আছে। ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে আইটেমের মধ্যে ২৫ ফ্রিজ ক্রয় করে সরবরাহ হয়েছে।

২০২৪-২৫ অর্থ বছর ক্রয় করা ফার্নিচারের এক আসনের সোফা ক্রয় করা ৬৫টির মধ্যে সরবরাহ করা হয়েছে ১৩টি,স্টোরে আছে ৫২টি। দুই সিটের সোফা ক্রয় ৬৫টি, সরবরাহ ১১টি এবং স্টোরে আছে ৫৪টি। সাধারণ চেয়ার ক্রয় ২৫০টি, সরবরাহ ১১০ টি, স্টোরে আছে ১৪০টি। দর্শনার্থীদের বসার চেয়ার ক্রয় ৩০০টি,সরবরাহ ১৮৭টি, স্টোরে আছে ১১৩টি। কম্পিউটারে বসার চেয়ার ক্রয় ৯০টি, সরবরাহ ৩৪ টি, স্টোরে আছে ৫৬টি। অর্ধ-সচিবালয় মানে চেয়ার ক্রয় ৮০টি,সরবরাহ ৪৭ টি, স্টোরে আছে ৩৩টি। পূর্ণ সচিবালয় মানে চেয়ার ক্রয় ৩৫টি, সরবরাহ ১২টি, স্টোরে আছে ২৩টি।
ওয়েটিং লাউঞ্জের স্থায়ী চেয়ার ৪টি এখনো সরবরাহ করা হয়নি, স্টোরে রয়েছে। নির্বাহী কর্মকর্তার কক্ষের জন্য এক সিটের সোফা ২টি সরবরাহ করা হয়েছে। এক্সিকিউটিভ রুমের ২ আসনবিশিষ্ট সোফা ৪টি, সরবরাহ করা হয়নি।
নির্বাহী কক্ষে দর্শনার্থীদের বসার চেয়ার ১৬টি,এখনোস্টোরে। এক্সিকিউটিভ রুমের প্রধান চেয়ার ২টি একটি সরবরাহ আরেকটি স্টোরে রয়েছে। ডিভানসহ ওয়েটিং লাউঞ্জের এল-আকৃতির সোফা ৬টি এখনো স্টোরে রয়েছে। সিনিয়র সেকেন্ডারি মিটিং রুম-০২-এর চেয়ার ২৮টির সরবরাহ ২০টি এবং স্টোরে ৮টি রয়েছে।
সিনিয়র সেকেন্ডারি মিটিং রুম-০১-এর চেয়ার ২৪টি সরবরাহ হয়েছে। সিনিয়র সেকেন্ডারি রেস্ট/ গেস্ট রুম-০২-এর সোফা- ৫টি এখনো সরবরাহ হয়নি। সিনিয়র সেকেন্ডারি রেস্ট/ মিটিং রুম চেয়ার ৮টি সরবরাহ হয়েছে। সিনিয়র সেকেন্ডারি মিটিং রুম-০২-এর সোফা ৩টির একটি সরবরাহ, ২টি স্টোরে রয়েছে ।
পূর্ণ সচিবালয় মানের টেবিল ২৫ টি সরবরাহ হয়েছে। অর্ধ-সচিবালয় টেবিল ৮০ টির মধ্যে ৭৫টি সরবরাহ হয়েছে এবং ৫টি স্টোরে রয়েছে। কম্পিউটার টেবিল ৯০টির সরবরাহ ৫৮টি এবং স্টোরে রয়েছে ৩২টি। ড্রয়ারসহ এক্সিকিউটিভ টেবিল ২৫০টির সরবরাহ হয়েছে ২৩৩টি, ১৭টি স্টোরে রয়েছে। সেন্টার টেবিল ৫০টির সরবরাহ হয়েছে ১০টি ,স্টোরে রয়েছে ৪০টি। কোর্ট হ্যাঙ্গার ২৫টির ২২টি সরবরাহ হয়েছে। সিনিয়র সচিবের পদমর্যাদায় কর্মকর্তার দর্শনার্থীদের জন্য ৬টিই সরবরাহ করা হয়েছে। সিনিয়র সচিবদের কক্ষের জন্য দুই সিটের সোফার ২টি এখনো স্টোরে এছাড়া আরো অনেক আসবার পত্র বিতরণের কথা জানানো হয়েছে।
এছাড়া আঞ্চলিক দপ্তরগুলোতে সরেজমিন খোঁজ নিয়ে এবং ঘুরে দেখা গেছে অনেক চেয়ার. টেবিল, স্ট্রীলের আলামারী, ফাইল কেবিনেট সহ ভান্ডার ও ক্রয় বিভাগ থেকে সরবরাহকৃত অনেক আসবাবপত্র রাখার জায়গা পাচ্ছে না। ভারান্দায়, ফ্লোরে, বিভিন্ন কক্ষে প্যাকেটসহ ফেলে রাখা হচ্ছে। অনেক দপ্তরে সাড়িবদ্ধভাবে সাজিয়ে রাখা হয়েছে চেয়ারগুলো।
সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের মানের মূল্যবান অনেক নতুন নতুন চেয়ার-টেবিল ডিএনসিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কক্ষের বাইরে ক্লিনার এবং ড্রাইভারদের সংগঠনের অফিসে পর্যন্ত সরবরাহ করা হয়েছে। এরপরেও চেয়ার টেবিল,স্ট্রীলের আলমারী অযত্নে ফেরে রাখা হয়েছে। অবস্থাদৃষ্ট্রে মনে হচ্ছে,এতো বেশি পরিমানে আসবাব পত্র ক্রয় করা হয়েছে। কর্মকর্তারা না চাইলেও জোর করে তাদের দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। অথচ ডিএনসিসিতে বিপুল পরিমান এই নতুন আসবার পত্র ক্রয় ও সরবরাহের আগেও পর্যাপ্ত পরিমান অনেক সুন্দর ও ভালোমানের আসবাবপত্র ছিল। ওইসব আসবার পত্রের বেশির ভাগই এখন হদিস নেই।
ডিএনসিসির প্রধান ভান্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তা মোঃ কামরুজ্জামান আলোচিত বিষয়ে কথা বলার জন্য কল দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এরআগে তাকে ওয়াটঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হয়। বার্তাটি হলো “ তথ্য অধিকার আইনে গত ৮ জুলাই ডিএনসিসিতে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে ডিএনসিসিতে ক্রয়কৃত চেয়ার, টেবিল আলমারী, সোফা, ফাইল কেবিনেট, ফ্রিজসহ প্রতিটি আইটেমের ক্রয় মূল্য, টেন্ডার আহবান, টেন্ডার ওপেন এবং কত কোটি টাকার মালামাল ক্রয় করা হয়েছে এ সংক্রান্ত কোন তথ্য আজ ১৮ /১০/২৬ পর্যন্ত কেনো প্রদান করেনি , এ বিষয়ে আপনার বক্তব্য প্রয়োজন।”
একই ভাবে ডিএনসিসির ভান্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোঃ আরাফাত হোসেনের সাথে কথা বলার জন্য কল দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এরআগে তাকে ওয়াটঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হয়। বার্তাটি হলো “ তথ্য অধিকার আইনে গত ৮ জুলাই ডিএনসিসিতে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে ডিএনসিসিতে ক্রয়কৃত চেয়ার, টেবিল আলমারী, সোফা, ফাইল কেবিনেট, ফ্রিজসহ প্রতিটি আইটেমের ক্রয় মূল্য, টেন্ডার আহবান, টেন্ডার ওপেন এবং কত কোটি টাকার মালামাল ক্রয় করা হয়েছে এ সংক্রান্ত কোন তথ্য আজ ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত কেনো প্রদান করেনি , এ বিষয়ে আপনার বক্তব্য প্রয়োজন।”
আ.দৈ./একে




















