বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৪, ১২ বৈশাখ ১৪৩১
বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৪, ১২ বৈশাখ ১৪৩১
Ajker Dainik
জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাৎ 

ওসমানী মেডিকেলর ৫৮ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা 

আজকের দৈনিক | নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২, ২০২৪, ০৮:৫৭ পিএম

ওসমানী মেডিকেলর ৫৮ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা 
ফাইল ছবি-

সিলেট ওসমানী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অবৈধভাবে কর্মকর্তা কর্মচারি নিয়োগ করে সরকারের ৫ কোটি ৫৪ লাখ ৫৬ হাজার ৪৯ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলায় ওসমানী বিশ্ববিদ্যালয়য়ের প্রাক্তন উপাচার্য ডাঃ মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী ভারপ্রাপ্ত রেজিস্টার মোঃ নঈমুল হক চৌধুরীসহ ৫৮ জনকে আসামী করা হয়েছে। 

দদুকের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে সিলেটের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মঙ্গলবার (০২ এপ্রিল) মামলাটি করা হয়। সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি জানান, পারস্পরিক যোগসাজশে ব্যক্তিগতভাবে ও অন্যদেরকে লাভবান করার উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিদ্যমান বিধিবিধান ও আইনকানুন যথাযথভাবে অনুসরণ না করে অবৈধভাবে নিয়োগ দেয়ায় ৫৮ জনকে আসামী করে মামলা করা হয়েছে। এতে সরকারের ৫ কোটি ৫৪ লাখ টাকার বেশি ক্ষতি হয়। যা দন্ডবিধির ৪০৯, ৪২০ ও  ১০৯ ধারা তৎসহ ১৯৪৭ সনের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। মামলা হওয়ার পর আসামীদের গ্রেপ্তারসহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জানা গেছে, সিলেটের ওসমানী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন থেকে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট  অবৈধ নিয়োগ ও অনিয়মের অভিযোগ চলে আসছিল। মোহাম্মদ ইব্রাহিম বিভাগীয় পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর কমিশনের অনুমোদনক্রমে তাদের বিরুদ্ধে তড়িৎ ব্যবস্থা নেন। 

এজহারনামীয় ৫৮ আসামী হলেন, প্রাক্তন উপাচার্য ডাঃ মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্টার মোঃ নঈমুল হক চৌধুরী,  উপপরিচালক (পরিবহন ও উন্নয়ন) ফাহিমা খানম চৌধুরী, সহকারী রেজিস্টার অঞ্জন দেবনাথ, সহকারী কলেজ পরিদর্শক মাইদুল ইসলাম চৌধুরী, সহকারী পরিচালক (পরিবহন ও উন্নয়ন) মোঃ গোলাম সরোয়ার,  সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোঃ বিলাল আহমদ চৌধুরী, সহকারী পরিচালক (বাজেট) শমসের রাসেল, পাবলিক রিলেশন অফিসার গাজী মোঃ ফারাজ, প্রকিউরমেন্ট অফিসার আব্দুল মুনিম, সেকশন অফিসার রিংকু দাস, আতিক শাহরিয়ার ধ্রুব, খালেদা চৌধুরী, আশরাফুল ইসলাম, জান্নাতুল ফেরদৌসী,  চৌধুরী রোম্মান আহমদ, সাজু ইবনে হান্নান খান, বেলাল উদ্দিন ও লোকমান আহমেদ, সহকারী হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা চৌধুরী জুলফিকার খালেদ,  উপসহকারী প্রকৌশলী মোশারফ হোসেন,  প্রশাসনিক কর্মকর্তা হালিমা বেগম, সুরঞ্জিত চন্দ্র তালুকদার, মোঃ তৌফিক মিয়া,  মোঃ রহমত আলী, এনি সরকার,  দেবশ্রী রানী দাস,  বিপুল কান্তি দাস,  আব্দুল আজিজ,  মোঃ মুহিতুর রহমান,  আলী ফজল মোঃ কাওছার,  নাহিমা আক্তার, মোঃ আব্দুল মজিদ, হুমায়ুন কবির জুয়েল, নাজমুস শামস তুষার, তানভীর আহমদ, ইয়ামিন হোসেন, রাধা রানী রায় শর্মী, তারেক মোঃ রেদোয়ান, অনিন্দিতা বিশ্বাস, রাজীব বৈদ্য, সাবেক সহকারী পরিচালক (অর্থা ও হিসাব) মোঃ আব্দুস সবুর,  প্রশাসনিক কর্মকর্তা মবরুর মিয়া, তামান্না ফিরোজী,  দিব্য জ্যেতি সী,  মিস আলেয়া নেছা জনি, মুমিনুর রহমান, রবিউল আলম বকুল ও মোঃ কয়েছ আহমদ, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর লুৎফা বেগম, রুহুল আমিন, জাহিদ হোসেন, রোমানা সুলতানা, আনিছুর রহমান,  রাফি ইব্রাহিম, মোঃ আব্দুস সাত্তার ও মোছাঃ সুলাতানা বেগম এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ রাশেদুল ইসলাম। আসামীদের বিষয়ে আদালত নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 
আ.দৈনিক/ একে

Link copied!